40402

গোপনে শাকিবের ছবির পরিচালক বদল!

বিনোদন ডেস্ক।। গোপনে শাকিব খান অভিনীত নোলক ছবির পরিচালক পরিবর্তন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ করেছেন ছবিটির পরিচালক রাশেদ রাহা।

আজ রবিবার বিকেল পৌনে চারটায় পরিচালক ইফতেখার চৌধুরীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতিতে ও বাংলাদেশ প্রযোজক-পরিবেশক সমিতিতে প্রযোজক সাকিব ইরতেজা চৌধুরী সনেটের বিরুদ্ধে দু’টি ভিন্ন লিখিত অভিযোগ করেছেন রাশেদ রাহা।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি ও বাংলাদেশ প্রযোজক-পরিবেশক সমিতিতে দেওয়া অভিযোগে রাশেদ রাহা অভিযোগে লিখেছেন, যথাবিহীত সম্মানপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি রাশেদ রাহা। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির একজন সদস্য। আমি ২৩ নভেম্বর ২০১৭ তারিখে ‘নোলক’ নামে একটি চলচ্চিত্র পরিচালনার জন্য চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতিতে নিবন্ধন করি। দেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও টেলিভিশন সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে ঢাকার একটি পাঁচতারকা হোটেলে বর্ণাঢ্য মহরতের মাধ্যমে আমার ওপর ছবিটি পরিচালনার দায়িত্বভার অর্পণ করা হয়।

তিনি অভিযোগে বলেন, শতভাগ আন্তরিকতার সঙ্গে ইতোমধ্যে ছবির ৮৫ ভাগ শুটিং সম্পন্ন করেছি। গত ১ ডিসেম্বর থেকে টানা ২৮ দিন ছবির শুটিং হয়েছে ভারতের হায়দরাবাদ রামোজি ফিল্ম সিটিতে। অভিনয়শিল্পীরা ছিলেন-শাকিব খান, ববি, ওমর সানি, মৌসুমী, তারিক আনাম খান, নিমা রহমান, রেবেকা, কলকাতার রজতাভ দত্ত, সুপ্রিয় দত্ত, অমিতাভ ভট্টাচার্য।

রাশেদ রাহা অভিযোগে আরও বলেন, ‘ছবির বাকি অংশের শুটিং করার জন্য আমি অনেকদিন থেকেই প্রস্তুত। কিন্তু মাসখানেক আগে এ ছবির প্রযোজক সাকিব ইরতেজা চৌধুরী (সনেট)-এর পক্ষ থেকে বাকি অংশের শুটিংয়ের জন্য পরিচালক ইফতেখার চৌধুরীর সঙ্গে পরামর্শ করতে বলা হয়। ছবির নির্মাণকৌশল ও গোপনীয়তা বজায় রাখার স্বার্থে কারও সঙ্গে পরামর্শ করতে আগ্রহী ছিলাম না।

তিনি বলেন, বিভিন্ন সূত্রে হঠাৎ জানতে পারি, আমাকে ছাড়াই পরিচালক ইফতেখার চৌধুরীকে দিয়ে নোলক ছবির বাকি অংশের কাজ শেষ করার জন্য প্রযোজক ইতোমধ্যেই একটি দল নিয়ে গতকাল (২১ জুলাই) কলকাতায় পৌঁছেছেন। পুরো ব্যাপারটা ঘটেছে আমার অজ্ঞাতে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে প্রযোজক সাকিব ইরতেজা চৌধুরী সনেট ও ইফতেখার চৌধুরীর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

পরিচালক রাশেদ রাহা গণমাধ্যমকে বলেন, এমন একটি ঘটনা আমার অজ্ঞাতে ঘটেছে। আমি পুরো বিষয়টিতে হতবাক হয়ে গেছি। মানসিক ভাবেও আমি অসুস্থ হয়ে পড়েছি কেননা একটি চলচ্চিত্র তাঁর নির্মাতার কাছে সন্তানের মতো।

এ প্রসঙ্গে চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন বলেন,আমি অভিযোগপত্র হাতে পেয়েছি। অভিযোগ পাওয়ার পর আমি ইফতেখার চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। যেহেতু ইফতেখার ভারতে রয়েছেন তাই ওই টিমের প্রোডাকশন ম্যানেজারকে ফোন করে ইফতেখারকে চেয়েছি। কিন্তু তাকে পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, একটা ছবির মূল পরিচালক যদি ছবি করতে আগ্রহী না হয়, সেক্ষেত্রে প্রযোজক অন্য পরিচালক দিয়ে ছবি শেষ করতে পারেন। কিন্তু পরিচালকের অনুমতি ছাড়া অন্য পরিচালককে দিয়ে ছবির শেষ করার কোনো নিয়ম নেই। এমন অনিয়মের প্রমাণ পেলে ইফতেখার চৌধুরীর সদস্যপদ বাতিল হয়ে যেতে পারে। আমরা মিটিংয়ে বিষয়টি তুলবো এরপর যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেবো।

ad

পাঠকের মতামত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *