43794

শোবিজে আগ্রহ নেই ‘বিস্ময়কর’ প্রতিভাবান তোরসার!

বিনোদন ডেস্কঃ রাফা নানজিবা তোরসা। সারা দেশের ৩৭ হাজারের বেশি প্রতিযোগীকে রূপে গুণে হারিয়ে এবারের ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ–২০১৯’ হয়েছেন তিনি। শুধু সৌন্দর্য্যকে পুঁজি করে এই মুকুট অর্জন করেননি তিনি। নানান প্রতিভায় সমৃদ্ধ তোরসা এক কথায় একজন মেধাবী মানুষ।

সংক্ষেপে তার প্রতিভার বিবরণে বলা যায়, তোরসা ছোট বয়সে মায়ের কাছে নাচ শিখেছেন। ২০০৮ সালে প্রথম হন ‘লিটল মিস চিটাগাং’ প্রতিযোগিতায় । ২০০৯ সালে ‘বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর’ প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে ফোক নৃত্যে অর্জন করেন প্রথম স্থান। ২০১০ সালের জাতীয় শিশু প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন এবং ভারতনাট্যমে গোল্ড মেডেল অর্জন করেন তোরসা। একই বছরে এনটিভির আয়োজনে ‘মার্কস অলরাউন্ডার’ প্রতিযোগিতায়ও প্রথম রানার আপ হয়েছিলেন তিনি।

সেখান থেকে আজ তিনি দেশের সেরা সুন্দরী, আর এই মুকুট মাথায় নিয়েই দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন ডিসেম্বরে বসতে যাওয়া ৬৯তম ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ প্রতিযোগিতায়।

বর্তমান ব্যস্ততা নিয়ে তোরসা জানালেন, ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ প্রতিযোগিতায় যারা অংশ নেবেন তাদের একটি চ্যারিটি শোতে অংশ নিতে হয়। আমার প্রজেক্টটি শিক্ষা নিয়ে। চট্টগ্রাম ও ঢাকায় কাজ এরইমধ্যে শুরু করেছি। এই কাজটি নিয়েই এখন মূলত ব্যস্ত আছি। পাশাপাশি গ্রুমিং চলছে।

তবে তোরসা জানালেন বিস্ময়কর এক তথ্য। যেখানে এমন প্লাটফর্ম থেকে সকলে চায় মিডিয়ায় নাম কুঁড়াতে, সেখানে শোবিজের প্রতি কোনো আকর্ষণ নেই তোরসার। তিনি বললেন, শোবিজে আসার একবারে সম্ভাবনা নেই এমনটা না। তবে এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে পরিকল্পনা নেই। এরপরও এমন কোনো কাজ যদি পাই, যেগুলো সামাজিকভাবে প্রভাব ফেলবে, তা হলে হয়তো করতে পারি।

তোরসা আরও বললেন, আসলে শোবিজে কাজ করার ইচ্ছে নিয়ে এই প্রতিযোগিতায় আসিনি। মিডিয়াতে কাজ করতে চাইলে আমি আগেই নিয়মিত হতে পারতাম।

বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী তোরসা নৃত্য, আবৃত্তি, থিয়েটার, মডেলিং, বিতর্ক প্রতিযোগিতা এমনকি মূকাভিনয়েও পারদর্শী। সামাজিক সংগঠন লিও ক্লাব এবং রেডক্রিসেন্টের সদস্য হিসেবেও নিজের নাম লিখিয়েছেন তিনি। তাদের সংগঠন থেকে চট্টগ্রামে দুটি স্কুল পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে একটি স্কুল ২০১৩ সালে সরকার অনুমোদিত হয়।

ad

পাঠকের মতামত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *